শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন

নোটিশঃ
দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় সাংবাদিক  নিয়োগসহ পরিচয় পত্র নবায়ণ চলছে।

হাজীগঞ্জে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, যুবক পলাতক

স্টাফ রিপোর্টার :

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীর সঙ্গে দীর্ঘদিন শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন এবং পরে অর্থ ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণী হাজীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মতলব দক্ষিণ উপজেলার ধলাইতলী এলাকার বাসিন্দা ফাহিমা আক্তার (১৮)-এর সঙ্গে হাজীগঞ্জ উপজেলার ১ নং রাজারগাঁও ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড দক্ষিণ পশ্চিম রাজারগাঁও এলাকার কিরন পাটোয়ারী বাড়ির সিরাজের ছেলে মেহেদী হাছান (২১)-এর পরিচয় হয়। পরিচয়ের এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
ভুক্তভোগীর দাবি, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে প্রায় এক বছর ধরে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গিয়ে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন অভিযুক্ত মেহেদী। এক পর্যায়ে ভুয়া বিবাহ নিবন্ধনের কাগজ দেখিয়ে তাকে প্রতারণা করা হয়।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ৩০ মার্চ বিয়ের কথা বলে ফাহিমাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় মেহেদী। এ সময় ফাহিমা তার পরিবারের অগোচরে প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার স্বর্ণালংকার এবং ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা নগদ সঙ্গে নিয়ে যান। পরে অভিযুক্ত ওই স্বর্ণালংকার ও টাকা নিয়ে চাঁদপুর সদরের মহামায়া বাজার এলাকায় ফাহিমাকে রেখে পালিয়ে যায়।
পরদিন ৩১ মার্চ দুপুরে ফাহিমা অভিযুক্তের বাড়িতে গেলে, মেহেদী তাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায় বলে অভিযোগ করা হয়। এ সময় তাকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে মীমাংসার কথা বলে তাকে চাঁদপুর কোর্টে নেওয়া হলেও সেখান থেকে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী ফাহিমা জানান, আমার এই ঘটনার সুষ্ঠ বিচার সে, মেহেদি আমাকে প্রেমের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে ধর্ষন করে। সে আরে এক মেয়ে সাথে এমন করেছে, আমি তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

এবিষয়ে ভুক্তভোগী ফাহিমা আক্তারের পিতা মোস্তফা কামাল বলেন : মেহেদি আমার মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্কে করে তাকে ধর্ষন করেছে,, ঘটনা জানাজানির পর আমাকে এলাকা থেকে বের করে দিছেয়ে এলাকার মানুষ।আমি মেহেদী দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।

ঘটনার এবিষয়ে অভিযুক্ত মেহেদী পরিবারের কেউ বক্তব্য দিতে রাজি হয়নি।

এবিষয়ে হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল জব্বার বলেন : অভিযোগ পয়েছি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

All rights reserved © meghnapost.com